পোষা মুরগির সমান আকৃতির এই ছোট্ট পাখি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আকাশে মুগ্ধকর দৃশ্য উপহার দিচ্ছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আকাশে দেখা মিলল এক দুর্লভ সুন্দরী পাখির, যার সৌন্দর্য দেখে চোখ থেকে নজর সরানো দায়। আকারে পোষা মুরগির সমান হলেও রঙিন দেহ, লাল ঠোঁট এবং লালচে লম্বা পা এটিকে সত্যিই দৃষ্টি আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
পাখিটির শরীর মোড়া উজ্জ্বল বেগুনি পালকে, কপালের ওপর টকটকে লাল বর্ম। ঠোঁটও লাল আর ছোট্ট কিন্তু স্পষ্ট। লম্বা আঙ্গুলযুক্ত লালচে পা দুটি পাখিটিকে আরও আকর্ষণীয় দেখায়। যখন আকাশে উড়ে, তখন মনে হয় যেন প্রকৃতির রঙিন এক সুন্দর প্রদর্শনী চোখের সামনে এসে হাজির হয়েছে।
প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, এই পাখি সাধারণত শান্ত ও সবুজ পরিবেশে বসবাস করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গাছপালা, বনায়ন এবং ছোট জলাশয় এটিকে নিরাপদ আশ্রয় দিচ্ছে। এজন্যই এই সুন্দরী পাখি শুধু এই এলাকায় সীমিতভাবে দেখা যায়।
পাখিটির খাদ্য প্রধানত ছোট কীটপতঙ্গ এবং ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী। তাই এটি খুবই শান্তিপ্রিয় ও সতর্ক প্রকৃতির। ছাত্রছাত্রীরা জানিয়েছেন, এই পাখির রঙিন বৈশিষ্ট্য এবং চমৎকার আঙ্গুল-পা দেখে তারা মুগ্ধ হয়েছেন। এটি শুধু দৃষ্টি নয়, প্রকৃতির নান্দনিক শিক্ষাও প্রদান করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের বিরল পাখির উপস্থিতি স্থানীয় বাস্তুসংস্থান এবং পরিবেশের স্বাস্থ্য ভালো থাকার ইঙ্গিত বহন করে। এটি প্রমাণ করে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ এলাকা সংরক্ষিত থাকলে বিরল প্রজাতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা করা সম্ভব।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে, এই পাখির গল্প ছাত্রছাত্রী এবং স্থানীয়দের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি আগ্রহ ও ভালোবাসা বাড়াচ্ছে। এটি আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
সংক্ষেপে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আকাশে দেখা এই সুন্দরী পাখি শুধু দর্শনীয় নয়, এটি শিক্ষণীয় এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জীবন্ত প্রমাণ। উজ্জ্বল বেগুনি পালক, লাল বর্ম এবং লালচে লম্বা পা এটিকে প্রকৃতির এক অমূল্য রত্ন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

